জয়পুরহাটে বিচারককে ফাঁসিতে ঝোলানোর চেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক

জানুয়ারির শেষ দিন জয়পুরহাটে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র মোয়াজ্জেম হত্যা মামলায় ১১ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন। রায় প্রদানের এক সপ্তাহ পর বিচারককেই ফাঁসিতে ঝোলানোর চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রায় প্রদানের এক সপ্তাহ পর জয়পুরহাট সদরে গভীর রাতে রায় প্রদানকারী বিচারকের বাসার জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে ওই বিচারককে ফাঁসিতে ঝোলানোর চেষ্টা এবং বাসায় লুটপাট চালানো হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুষ্কৃতকারীরা পালাতে চেষ্টা করার সময় এনএসআই ভবনের সামনে কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম তাদের ধাওয়া করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্বাস উদ্দিন জয়পুরহাট সদর থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে বিচারক আব্বাস উদ্দিন বলেন, বিষয়াটি আমি আমার জেলা জজ স্যারকে জানিয়েছি। পুলিশ সুপার এবং ওসিকেও জানিয়েছি। আমরা ঘরের মধ্যে অজ্ঞাতনামা অন্তত তিনজনকে দেখেছি। সোমবার গভীর রাতের ওই ঘটনার পর আমি স্বাভাবিক হতে পারছিলাম না। আমি নিরাপত্তাহীনতায় আছি।

২০০২ সালের জুন মাসে ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে মোয়াজ্জেম হোসেনকে হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর ২২ বছর পর বিচার শেষ করে গত জানুয়ারিতে রায় দেন বিচারক আব্বাস উদ্দিন। দান্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই খুন, ডাকাতি, অস্ত্রসহ একাধিক মামলা মোকদ্দমা রয়েছে। এবং ১১ জন আসামির মধ্যে ৬ জন দান্ডপ্রাপ্ত আসামি এখনও পলাতক।

 

Similar Articles

Advertismentspot_img
  • সর্বশেষ
  • পঠিত