আমাকে নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখাতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আমেরিকাতে বলে এসেছি আমাকে অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখাতে হবে না। তারা বাস্তব অবস্থাটা বোঝে কিনা আমি জানি না, কিন্তু তাদের একই কথা, মানে ভাঙা রেকর্ড বাজিয়েই যাচ্ছে। ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে রাখা গণতন্ত্রকে আওয়ামী লীগই জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসংঘ সাধারণ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরে শুক্রবার (৬ অক্টোবর) গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখাতে হবে না। কারণ বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই আমরা করেছি। আর সেই নির্বাচন হয়েছে বলেই জনগণ আমাদের বারবার ভোট দিয়েছে, আর একটানা আমরা ক্ষমতায় আছি বলেই, অর্থনৈতিক উন্নতিটা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের কিছু লোক নির্বাচন নিয়ে ‘একটু বেশি কথা’ বলে, সে কারণে বিদেশিরাও বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কথা বলার সুযোগ পায়। দুর্ভাগ্য হলো সেটাই, যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে, জনগণের ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থেকে দেশ পরিচালনা করেছে, সেই সময় নির্বাচনের সুষ্ঠতা নিয়ে তাদের (বিদেশিদের) উদ্বেগ দেখিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পর ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, সেই জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া, এটা তো আওয়ামী লীগই করেছে। আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগ জোট, তারা এক হয়ে আন্দোলন করে, এজন্য আমাদের বহু রক্ত দিতে হয়েছে। আমি সে কথাটা বলেছি তাদের (যুক্তরাষ্ট্রে)।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশটা যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সবার এত মাতামাতি কেন, সন্দেহ হয় রে, এটাই বলতে হয়। আসল কথা নির্বাচনটা বানচাল করে দেওয়া।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জিয়া, এরশাদ, খালেদা সবাই তো ভোট চোর। এদেশের মানুষ জানে, নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নতি হয়েছে। মানুষ স্বাবলম্বী হয়েছে। দারিদ্র্যবিমোচন হয়েছে। দারিদ্র্যসীমা ৫ শতাংশে কমিয়ে এনেছি। কেউ ঘরবাড়ি ছাড়া থাকবে না। সন্দেহ হয় সেজন্যই।

Similar Articles

Advertismentspot_img
  • সর্বশেষ
  • পঠিত