দেশের মাঠ ধানে ধানে, লোকের কন্ঠ গানে গানে। পটিয়া উপজেলার বর্তমান পটিয়া পৌর সভার ৫নং ওয়ার্ডের এক দরিদ্র সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৩ সালের ২৯ শে এপ্রিল এক নতুন শিশুর জন্ম হলো।গালে মধু উঠলো, নাম রাখার আয়োজন হলো। মা- বাবা, আত্মীয় স্বজন আদর করে নাম রাখলেন আমির হোসেন।
তার বাবা মরহুম আবদুর রাজ্জাক , মাতা মরহুমা সোলতান আরা বেগম তাকে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠালেও তিনি শৈশব থেকেই বহুবার স্কুলের রেলিং ডিংগিয়েছেন। তার আর পড়া- লেখা হলনা।
বাল্যকাল থেকেই BNP র প্রতিষ্ঠাতা মরহুম প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি তার ভালবাসা ছিল অসীম। বুদ্ধি হওয়ার প্রাগলগ্ন হতেই তিনি মন, মেধা ও শ্রম দিতে শুরু করেন। ১৯৯১ সনের শুরুতেই তিনি BNP ‘র সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সন থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি BNP সদস্যই থেকে যান। ২০২০ সাল থেকেই তার জন্মস্থান আদু তালুকদার বাড়ি ৫ নং ওয়ার্ডের BNP র সহ সভাপতি দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব থেকেন তিনি অসংখ্য সামাজিক কাজ কর্মে আত্মনিয়োগ করেন।
তিনি রাজনীতি করে অর্থ কামাই করাতো দূরের কথা নিজের ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের টাকার হিসেবও রাখেন নাই। দরিদ্র হলেও তিনি খুবই পরিশ্রমি লোক হন। পরিশ্রমের পারিশ্রমিক দিয়ে তিনি সচ্ছল জীবন যাপন করেন। তার ৩ পুত্রের মধ্যে ১ পুত্র পটিয়াস্থ হযরত শাহচাঁদ আউলিয়া মাদ্রাসায় বি এ পড়ছেন। তার ২ মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে ধনাঢ্য পরিবারে বিয়ে দেন। অন্য মেয়ে এখনো ছোট।
তিনি রাজনীতি করাকালীন সময়ে কোন BNP র রাজনৈতিক ব্যক্তির কাজ থেকে কোনরূপ সাহায্য সহযোগিতা পান নাই। তাকে বর্তমানে BNP নেতা কার সান্নিধ্যে আছেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বড় গলায় বলে উঠেন যে ” আমি আমাদের প্রিয় নেতা পটিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান ও বর্তমান চট্টগ্রাম ওয়াশার চেয়ারম্যান জনাব,ইদ্রিস মিয়া মহোদয়ের সান্নিধ্য আছি। তিনি ছাড়া আমি কিছুই বুঝিনা।”
পটিয়া ৫ নং ওয়ার্ডের জনগন ও পটিয়াবাসী এ মজলুম নেতার উন্নতিতে সাহায্য- সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে মরহুম প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য পুত্র জননেতা এদেশের প্রধান মন্ত্রী জনাব, তারেক রহমান সহ BNP র অন্যান্ন নেতাদের সাহায্য কামনা করেন।

