চট্টগ্রামের পটিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার আগে যৌথ অভিযান চালিয়ে ১৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ চোলাই মদের মালিক কে, কোথা থেকে এসব মদ আনা হয়েছিল এবং এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না—তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী, শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাটিগ্রাম এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জুয়েল ও পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার হওয়া মদের প্রকৃত মালিক কে, কারা এটি সেখানে রেখেছিল এবং কোথায় নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে মদগুলো পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, তদন্ত ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।অভিযানস্থলে কাউকে আটক করা না যাওয়ায় মদের মালিকানা শনাক্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা তদন্তকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মদের উৎস, পরিবহনপথ ও সম্ভাব্য গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন।শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে পটিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। এমন সময়ে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ উদ্ধারের ঘটনা মাদকবিরোধী নজরদারি আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।তবে এই উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনো বিশেষ পরিকল্পনা বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির যোগসূত্র রয়েছে—এমন কোনো তথ্য এখনো নিশ্চিত হয়নি। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দায়ী করা সমীচীন নয়।১৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার হওয়া শুধু একটি অভিযান পরিচালনার ঘটনা নয়; এর মালিকানা ও উৎস শনাক্ত করাও গুরুত্বপূর্ণ। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা, সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

