চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা একটি ঐতিহাসিক স্থান। এখানে জন্ম নিয়েছেন অনেক সুসন্তান।অনেক কবি,ঋষি, মনিষি, সাংবাদিক,সাহিত্যিক থেকে শুরু করে অনেক দরবেশ ও সাধু পুরুষের স্থান এ পটিয়া। অতিব দুঃখের সাথে লিখতে হচ্ছে , এ পটিয়ার হাজার হাজার অভুক্ত কৃষকের ভাগ্যের ইতিহাস।
মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই এ গরু লুডা খাল খনন করে পটিয়া কৃষক সম্প্রদায়ের সামনে ভাতের বাসন দিয়েছিলেন। এর পর থেকে সরকার আসে আর যায়। কোন সরকারই এ খাল খনন কাজে অংশ গ্রহণ করেন নাই। যদি ও খনন করে থাকেন – তা খুবই সামান্য ও লোক দেখানো।
এ খাল ভরাট হওয়ার কারণে প্রতি বছর পটিয়া উপজেলার বরলিয়া , ওকন্যায়ারা , মেলঘর, আশিয়া, জংগল খাইন ,বেলখাইন, পেরলা, উজিরপুর , পিংগলা, ফান্ডাপাড়া, বারৈপাড়া , বারৈকাড়া, কর্তালা এলাকার হাজার হাজার একর জমি অনাবাদি থেকে যাচ্ছে প্রতি বছর। বর্ষাকালে অতি বৃষ্টির কারণে বিলে পানি হলে কৃষকদের আর জমিতে নামতে হয় না।
গ্রীষ্মের সময়ে খালে পানি না থাকার দরুন তথা জোয়ার ভাটা না থাকার কারণে ইরি-বোরো চাষ করা সম্ভব হয় না । ভরাট খাল এখন কচুরিপানায় জমজমাট।
এহেন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে হাজার হাজার কৃষক অর্ধাহারে , অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। খাল ভরাটের কথা বলতে গিয়ে কৃষক নেতা, চাষী কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী আবুল হাশেম কান্না জড়িত কন্ঠে বলে উঠেন , আমাদের পটিয়া উপজেলার মা – বাবা এম . পি আলহাজ্ব এনামুল হক এনামের সমিপে আমার কৃষক কুলের ফরিয়াদ , শীঘ্রই গরু লুডা খাল খননেের ব্যবস্থা করে পটিয়ার উল্লেখিত গ্রামের কৃষকদের ভাতের ব্যবস্থ করে দিয়ে আমাদের বাঁচার সুযোগ দান করুন।

