বিশেষ প্রতিবেদন|
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বড়লিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ভূঁইয়া পরিবারে জন্ম নেওয়া মুহাম্মদ শফিউল আলম দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, লেখালেখি, আইন ও অধিকারচর্চা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নিজের একটি স্বতন্ত্র কর্মপরিচয় গড়ে তুলেছেন। শিক্ষা ও সংবাদজগতের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অধিকার, সচেতনতা ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তিনি পরিচিত একটি নাম।মুহাম্মদ শফিউল আলমের জন্ম ১৯৬৩ সালে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার বড়লিয়া গ্রামে। তাঁর পিতা মরহুম এজাহার মিঞা এবং মাতা মোছাম্মৎ আছিয়া খাতুন। পারিবারিক ঐতিহ্যের দিক থেকেও তাঁর রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। তাঁর পূর্বপুরুষগণ ‘চৌধুরী’ খেতাবে ভূষিত ছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসনামলে তাঁদের ‘ভূঁইয়া’ উপাধি দেওয়া হয়। সেই ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান হিসেবে বেড়ে ওঠা শফিউল আলম পরবর্তী জীবনে শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে নিজের কর্মজীবনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেন।শিক্ষাজীবন থেকে শিক্ষকতা পেশায়
শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই ইংরেজি বিষয়ের প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল। ১৯৮৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইংরেজি বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। উচ্চশিক্ষা শেষে শিক্ষকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শিক্ষায় পাঠদান করে আসছেন।শিক্ষকতা পেশায় আরও দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইংরেজি বিষয়ে বি.এড. ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি সম্প্রতি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এলএল.বি. ডিগ্রিও অর্জন করেছেন। ফলে শিক্ষা ও আইন—দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেই তাঁর একাডেমিক প্রস্তুতির বিস্তার ঘটেছে।
শিক্ষকতায় দীর্ঘ পথচলা
কর্মজীবনের শুরুতে তিনি পটিয়ার কুসুমপুরা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শাহ আমির উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সাল থেকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঐতিহাসিক আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে সিনিয়র ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর ধরে ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি একজন শিক্ষকের সামাজিক দায়িত্ব ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষকের ভূমিকা নিয়েও তিনি কাজ করেছেন বলে তাঁর কর্মজীবনের বিবরণে উঠে আসে।শিক্ষকতা তাঁর কাছে শুধু একটি পেশা নয়—শিক্ষা ও জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ইংরেজি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা দূর করা এবং সহজ পদ্ধতিতে ভাষা শিক্ষার সুযোগ তৈরি করার বিষয়েও তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন।
সাংবাদিকতায় প্রবেশ
শিক্ষকতার পাশাপাশি সাংবাদিকতাকে তিনি তাঁর কর্মজীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে গ্রহণ করেন। ১৯৯৩ সালে চট্টগ্রামের পরিচিত সংবাদপত্র দৈনিক নয়া বাংলা-য় সাংবাদিক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।পরবর্তীতে তিনি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর দৈনিক নতুন বাংলাদেশ পত্রিকাতেও দীর্ঘদিন সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।মফস্বল সাংবাদিকতা সাধারণ মানুষের জীবন, স্থানীয় সমস্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সামাজিক বাস্তবতাকে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দীর্ঘদিন এই অঙ্গনে কাজ করার সুবাদে শফিউল আলম স্থানীয় সংবাদ ও জনসম্পৃক্ত বিষয় নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
‘সাপ্তাহিক এজাহার’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ততা
সাংবাদিকতার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় তিনি ‘সাপ্তাহিক এজাহার’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পত্রিকাটি২০০৪ সনে ১৯৯ নং রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে মাসিক ও পরবতীতে ২৫৫ নং রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক হই।।স্থানীয় সংবাদ, জনজীবনের সমস্যা, সামাজিক বিষয়, শিক্ষা, অধিকার ও এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে সংবাদ আকারে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে পত্রিকাটির কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে তিনি যুক্ত রয়েছেন।একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব শুধু সংবাদ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—সঠিক তথ্য সংগ্রহ, বিষয় যাচাই, জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরা এবং মানুষের কথা সমাজের সামনে উপস্থাপন করাও সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ জায়গায় দীর্ঘ সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকতার পরিসরে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
মানবাধিকার ও সামাজিক কর্মকাণ্ড
শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবাধিকার ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থা, পটিয়া উপজেলা শাখার অর্গানাইজিং সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে তাঁর পরিচিতি থেকে জানা যায়।মানবাধিকার বিষয়ে কাজ করার মাধ্যমে মানুষের ন্যায়সংগত অধিকার, সামাজিক মর্যাদা এবং সচেতনতার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার সুযোগ পান তিনি। একই সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক ও আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।
লেখক ফোরাম ও সাংগঠনিক দায়িত্ব
লেখালেখির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। তিনি পটিয়া উপজেলা লেখক ফোরামের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। লেখক ও সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সাহিত্যচর্চা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এ ধরনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।এ ছাড়া তিনি পটিয়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকদের পেশাগত সংগঠন, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবং সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয়ের ক্ষেত্রেও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
আইন ও অধিকার বিষয়ে আগ্রহ
শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি এলএল.বি. ডিগ্রি অর্জন তাঁর কর্মজীবনে নতুন একটি মাত্রা যুক্ত করেছে। আইন বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে নাগরিক অধিকার, আইনগত সচেতনতা এবং ন্যায়বিচারের বিষয়গুলোকে আরও গভীরভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি হয়েছে।তিনি আইন ও অধিকার সংস্থা, পটিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে তাঁর পরিচিতি থেকে জানা যায়। সমাজের সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অধিকার সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।
লেখালেখি ও বই প্রকাশ
শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি একজন লেখক হিসেবেও পরিচিত। ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সহায়তার উদ্দেশ্যে তিনি দুটি বই রচনা করেছেন।বই দুটির নাম—১. An Easy Way To Learn Tenses২. A Good Functional English ইংরেজি ভাষার ব্যাকরণ ও ব্যবহারিক প্রয়োগকে সহজভাবে শেখানোর লক্ষ্যেই বইগুলো রচিত হয়েছে বলে তাঁর কর্মপরিচয় থেকে জানা যায়। শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকায় ভাষা শিক্ষার বাস্তব সমস্যাগুলোকে সামনে রেখে বই লেখার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
বহুমাত্রিক কর্মজীবনের সমন্বয়
মুহাম্মদ শফিউল আলমের কর্মজীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়—শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, লেখালেখি, মানবাধিকার, আইন ও সামাজিক কর্মকাণ্ড—বিভিন্ন ক্ষেত্র তাঁর কর্মপরিধির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।একদিকে তিনি দীর্ঘ সময় শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বিষয়ে পাঠদান করেছেন, অন্যদিকে সাংবাদিক হিসেবে স্থানীয় মানুষের কথা সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আবার লেখক হিসেবে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার বই রচনা করেছেন এবং সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন।এই বহুমাত্রিক কর্মকাণ্ড তাঁর কর্মজীবনকে বৈচিত্র্যময় করেছে। বিশেষ করে শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার মতো দুটি জনসম্পৃক্ত পেশার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁকে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছাকাছি কাজ করার সুযোগ দিয়েছে।
পটিয়ার সামাজিক পরিসরে একটি পরিচিত নাম
পটিয়া দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ একটি জনপদ। এই জনপদের বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে মুহাম্মদ শফিউল আলম নিজের কর্মপরিধি বিস্তৃত করেছেন।শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে, সাংবাদিক হিসেবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে, লেখক হিসেবে পাঠকের সঙ্গে এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে তাঁর কর্মজীবনের বিভিন্ন অধ্যায় পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি দীর্ঘ কর্মযাত্রার রূপ নিয়েছে।
অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন প্রজন্মের জন্য বার্তা
দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষা ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি আইন ও অধিকার বিষয়ে পড়াশোনা ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ফলে তাঁর অভিজ্ঞতার পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং মানুষের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার গুরুত্ব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।একজন শিক্ষক হিসেবে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা যেমন শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখার সাক্ষ্য বহন করে, তেমনি সাংবাদিকতা ও লেখালেখির দীর্ঘ পথচলা সমাজের বিভিন্ন বিষয়কে কাছ থেকে দেখার সুযোগ দিয়েছে। আর আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা তাঁর কর্মজীবনে নাগরিক অধিকার ও আইনগত সচেতনতার নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।মুহাম্মদ শফিউল আলমের জীবন ও কর্মের দিকে তাকালে শিক্ষকতা দিয়ে শুরু হওয়া একটি দীর্ঘ কর্মযাত্রার সঙ্গে সাংবাদিকতা, লেখালেখি, মানবাধিকার, আইন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিক সংযোগ দেখতে পাওয়া যায়।
১৯৬৩ সালে পটিয়ার বড়লিয়ার ঐতিহ্যবাহী ভূঁইয়া পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি ১৯৮৪ সালে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে শিক্ষকতা পেশায় প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে সাংবাদিকতায় যুক্ত হয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন। বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করার অভিজ্ঞতার পর বর্তমানে ‘সাপ্তাহিক এজাহার’-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা ও লেখালেখির পাশাপাশি মানবাধিকার ও আইন বিষয়ে তাঁর সম্পৃক্ততা কর্মজীবনের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে। An Easy Way To Learn Tenses ও A Good Functional English—এই দুটি বই তাঁর শিক্ষাবিষয়ক লেখালেখির পরিচয় বহন করে।সব মিলিয়ে, মুহাম্মদ শফিউল আলমের কর্মজীবনকে শিক্ষা, সংবাদ, সাহিত্য ও সামাজিক দায়িত্ববোধের সমন্বিত যাত্রা হিসেবে তুলে ধরা যায়। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বহুমুখী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তিনি পটিয়ার শিক্ষা, সাংবাদিকতা ও সামাজিক অঙ্গনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন—যা তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক।

