চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ সদস্যকে আঁচড় ও কামড় দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ মহিউদ্দিন নামে ওই আসামি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে আবারও গ্রেপ্তার করে।
রোববার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার চরণদ্বীপ মসজিদ ঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার মহিউদ্দিন উত্তর করলডেঙ্গা শিকদার বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে আবদুল মান্নান নামে এক ব্যক্তি মামলা করেন। ওই মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায় বোয়ালখালী থানা পুলিশ। এ সময় মামলার বাদিও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরানোর পর তিনি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করেন। একপর্যায়ে এক পুলিশ সদস্যকে আঁচড় ও কামড় দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায় বোয়ালখালী থানা পুলিশ। এ সময় মামলার বাদিও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরানোর পর তিনি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করেন। একপর্যায়ে এক পুলিশ সদস্যকে আঁচড় ও কামড় দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
এ সময় ধস্তাধস্তিতে তিন পুলিশ সদস্য, মামলার বাদিসহ পাঁচজন আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে অভিযান চালিয়ে মহিউদ্দিনকে হাতকড়াসহ আবারও গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—এসআই আবদুল হালিম (৪৮), এএসআই মাসুম বিল্লাহ (৩৫) ও কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (৩২)। তারা রাত সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদে নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ জেবল হোসাইন (২৩) নামে এক যুবককেও আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মূল মামলার আসামি নন। তবে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করেন এবং এক পুলিশ সদস্যকে আঁচড় ও কামড় দেন। একপর্যায়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে তাকে আবারও গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

