সৌদি আরবে কামরুল জামান নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তার বাড়ি নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলায়।
রবিবার (৩০ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে তায়েফের হাওয়াইয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারী সৌদি তরুণেরও মৃত্যু হয়েছে।
নিহত কামরুল জামান নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কুতুবপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। দেশে তার স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান রয়েছে।
নিহত কামরুলের ভগ্নিপতি একরামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মরদেহ দেশে আনতে তিনি সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
স্বজনদের বরাতে স্থানীয় সূত্র জানায়, কামরুল জামান একটি সুপার মার্কেটে কাজ করতেন। কর্মস্থলের দায়িত্ব শেষ করে বাসায় ফেরার সময় তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় এক সৌদি তরুণ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
আত্মরক্ষার জন্য কামরুল তার কর্মস্থলের সুপার মার্কেটের ভেতরে চলে যান। পরে হামলাকারীও সেখানে প্রবেশ করে তাকে গুলি করে। এ সময় সুপার মার্কেটে কর্মরত অন্য কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে সরে যান।
ঘটনার পর হামলাকারী নিজেও গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বলে জানা গেছে।
কামরুলের কর্মস্থলের পাশের একটি ফার্মেসিতে কর্মরত এক বাংলাদেশি প্রবাসী এ ঘটনার বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।
তবে কী কারণে কামরুল জামানের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
জীবিকার তাগিদে প্রায় আড়াই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান কামরুল জামান। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

